২০২২–২৩ মরশুমে ডেস বাকিংহ্যামের প্রশিক্ষণে মুম্বই সিটি এফসির আক্রমণের তীব্রতা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা ভারতীয় ফুটবলে খুব কমই দেখা যায়। সেই দুর্দান্ত সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিলেন আক্রমণ বিভাগের তিন খেলোয়াড় — গ্রেগ স্টুয়ার্ট, জর্জ পেরেইরা দিয়াজ এবং লালিয়ানজুয়ালা ছাঙতে।
এই ত্রয়ী একসঙ্গে দলের ৫০টি গোলে অবদান (গোল + অ্যাসিস্ট) রেখেছিলেন, যা আইএসএল ইতিহাসে এক মরশুমে কোনও ত্রয়ীর সর্বোচ্চ।সে বার লিগ পর্বে মোট ৫৪টি গোল করে নতুন নজির গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো আইএসএল শিল্ড জেতে মুম্বই।সের্খিও লোবেরার অধীনে এক নতুন আক্রমণাত্মক দর্শনের সূচনা করে এফসি গোয়া, যার কেন্দ্রে ছিলেন লানজারোতে, কোরোমিনাস ও বুমৌস। লানজারোতে ছিলেন আক্রমণ তৈরির প্রাণকেন্দ্র। খেলায় ছন্দ আনা, গোল করা ও সুযোগ তৈরি করার কাজ তিনিই সামলাতেন।
অভিষেক মরশুমেই তিনি ১৯ ম্যাচে ১৯টি গোল অবদান রেখে সবার নজর কেড়ে নেন।বারবার বিরোধীরা দাবি জানিয়েছেন। এদিনও কিছুক্ষণ আগেই ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে লোকসভায় বক্তব্য রাখতে উঠে বিরোধী দলনেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, প্রকাশ্যে ট্রাম্পকে মিথ্যুক বলুন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীদের সেই দাবির প্রেক্ষিতে লোকসভায় এসে প্রধানমন্ত্রী বলে দিলেন, “বিশ্বের কোনও নেতা ভারতকে অপারেশন রুখতে বলেননি।”
তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে NDA সাংসদরা তাতে টেবিল চাপড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেয় ভারতের নিরাপত্তাবাহিনী। এরপর পাকিস্তানের তরফে ভারতের আকাশে একের পর এক ড্রোন পাঠানো হয়। যেসব ভারতের নিরাপত্তাবাহিনী গুলি করে মাটিতে নামায়। সীমান্তেও নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু হয় পাকিস্তানের দিক থেকে।
তারও জবাব দেয় ভারতের বাহিনী। এই আবহে উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। যুদ্ধ শুরু হলে জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেদের রক্ষা করতে হবে, সাধারণ নাগরিকদের সেই প্রশিক্ষণও দেওয়া শুরু হয়ে যায় ভারতে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে মক ড্রিল। উভয় দেশের মধ্যে চরম পর্যায়ে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আবহেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আচমক ঘোষণা করে দেন, ভারত ও পাকিস্তান তাদের মধ্যস্থতায় সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
উভয় দেশের তরফে এনিয়ে সরকারিভাবে ঘোষণার আগেই ট্রাম্পের তরফে আগ বাড়িয়ে এভাবে ঘোষণা ভালোভাবে নেওয়া হয়নি। এনিয়ে সুর চড়ায় বিরোধীরা। ট্রাম্পের দাবি কেন প্রধানমন্ত্রী নস্যাৎ করছেন না, তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। যদিও কেন্দ্রের তরফে এর আগে বারবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, উভয় দেশের DGMO পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমেই সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। তারপরেও বিরোধীরা বারবার এনিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দাবি করছিলেন।
